কানাডার প্রধানমন্ত্রী Mark Carney আগামী শনিবার, ১৩ জুন আয়ারল্যান্ড সফরে Taoiseach Micheál Martin এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি Carney এর প্রথম আয়ারল্যান্ড সফর, আর প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনো কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক আয়ারল্যান্ড সফর।
ডাবলিনে দুই নেতার বৈঠকের পাশাপাশি Taoiseach Micheál Martin ডাবলিন ক্যাসেলে একটি আনুষ্ঠানিক নৈশভোজের আয়োজন করবেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে Mark Carney কাউন্টি Mayo তে যাবেন, যেখানে তিনি President Catherine Connolly এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
আয়ারল্যান্ড ও কানাডার অর্থনৈতিক সম্পর্ক এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আইরিশ সরকার জানিয়েছে, EU-Canada Comprehensive Economic and Trade Agreement বা CETA আয়ারল্যান্ডে পূর্ণ অনুমোদনের কাছাকাছি রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে পণ্য, সেবা, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিখাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা হবে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, সফরে কৃষি-খাদ্য, ডিজিটাল উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং জলবায়ু খাতে সম্পর্ক সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আয়ারল্যান্ডের প্রযুক্তি ও ফার্মা খাত এবং কানাডার বিস্তৃত বাজার দুই দেশের জন্যই নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
- ডাবলিনে Taoiseach Micheál Martin এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
- ডাবলিন ক্যাসেলে আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ
- কাউন্টি Mayo সফর
- President Catherine Connolly এর সঙ্গে সাক্ষাৎ
- CETA, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আলোচনা
আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও আলোচনা
Taoiseach Micheál Martin বলেছেন, বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতার সময়ে আয়ারল্যান্ড ও কানাডা শান্তিপূর্ণ সমাধান, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক কূটনীতির পক্ষে নিজেদের অবস্থান আরও জোরালো করতে চায়।
এই সফর শুধু আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সফর নয়; এটি আয়ারল্যান্ড-কানাডা সম্পর্কের নতুন পর্যায়ের ইঙ্গিত। CETA অনুমোদনের সময় ঘনিয়ে আসা, প্রযুক্তি ও জলবায়ু সহযোগিতার প্রসার এবং বৈশ্বিক সংকটে মধ্যম শক্তির দেশগুলোর সমন্বিত ভূমিকা, সব মিলিয়ে সফরটি আয়ারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক অবস্থানের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।সংবাদের সূত্রঃ
Government of Ireland এবং আইরিশ মিডিয়া।