আয়ারল্যান্ডে Social Care খাতে দক্ষ কর্মী সংকট মোকাবিলায় নতুন Social Care Apprenticeship programme চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কাজের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং একই সঙ্গে বাস্তব কর্মপরিবেশে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
সরকারের ভাষ্যমতে, আয়ারল্যান্ডে বর্তমানে Social Care sector এ কর্মীর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি, Disability Services সম্প্রসারণ এবং Community Support Services এর চাহিদা বাড়ার কারণে নতুন দক্ষ কর্মী তৈরি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নতুন apprenticeship programme এর আওতায় অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাবেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা একদিকে যেমন বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, অন্যদিকে পড়াশোনার সময় থেকেই আয় করার সুযোগও পাবেন।
সরকার বলছে, এই programme এর মূল লক্ষ্য হলো Social Care profession কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদে দক্ষ কর্মী তৈরি করা। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিশ্লেষকদের মতে, আয়ারল্যান্ডে Healthcare এবং Social Care sector বর্তমানে দেশের সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণশীল কর্মক্ষেত্রগুলোর একটি। Care Assistant, Support Worker, Disability Support Staff এবং Community Care Worker এর মতো পেশাগুলোতে ভবিষ্যতে আরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, Social Care profession এ কাজ করার জন্য শুধু প্রশিক্ষণ নয়, বরং ধৈর্য, মানবিকতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং মানুষের সঙ্গে কাজ করার মানসিকতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই খাত সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সহায়তার সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য সম্ভাবনাঃআয়ারল্যান্ডে Social Care sector এর সম্প্রসারণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যারা Healthcare, Nursing, Community Support বা Caregiving বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ অর্জন করেছেন, তারা ভবিষ্যতে এই খাতে সুযোগ পেতে পারেন।
তবে Social Care profession এ সফল হতে হলে কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি ইংরেজিতে অত্যন্ত ভালো যোগাযোগ দক্ষতা থাকা জরুরি। কারণ রোগী, পরিবার এবং সহকর্মীদের সঙ্গে প্রতিদিন কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে হয়। একই সঙ্গে পেশাগত আচরণ, সহানুভূতি এবং আন্তর্জাতিক কর্মপরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সংবাদের সূত্রঃDepartment of Further and Higher Education, Research, Innovation and Science